০৮:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪

২৪ বছর পর সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:৪৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২২
  • / ২৮৮ বার পড়া হয়েছে

অভিনেতা সোহেল চৌধুরী হত্যার প্রায় ২৪ বছর পর হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।

রোববার মামলার বাদী সোহেলের ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী সাক্ষ্য দেন। তিনি আদালতের কাছে বিচার চেয়েছেন।

ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক জাকির হোসেন এ সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এই আদালতের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সৈয়দ শামসুল হক প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শামসুল হক জানান, আজ সাক্ষী তৌহিদুলের জবানবন্দি রেকর্ড করেন বিচারক। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বাদীকে জেরা শুরু করেন।

আজকের শুনানি উপলক্ষে আসামি আশীষ রায় চৌধুরী, সানজিদুল ইসলাম ইমন ও তারিক সাঈদ মামুনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এ ছাড়া জামিনে থাকা আসামি ফারুক আব্বাসিও আজ আদালতে হাজির হন।

১৬ বছর আগে ঢাকা মহানগরীর পিপি অফিস থেকে কেস ডকেট (সিডি) নিয়ে যান তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক ফরিদ উদ্দিন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে পাওয়া যায়। তিনি ইতিমধ্যে অবসর নিয়েছেন। তবে আজও হত্যা মামলার সিডি আদালতে পেশ করা হয়নি।

১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর গভীর রাতে বনানীর ট্রামস ক্লাবের নিচে গুলি করে হত্যা করা হয় সোহেলকে।

আরো পড়ুন

সোহেল হত্যার ঘটনায় তার ভাই তৌহিদুল বাদী হয়ে রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা করেন।

মামলায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই ৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে।

২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এ মামলায় অভিযোগ গঠন করে।

অভিযোগ গঠনের পর অভিযুক্ত আদনান সিদ্দিকী ২০০৩ সালে হাইকোর্টে রিট করেন।

২০০৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন এবং রুলসহ আদেশ জারি করেন।

5 আগস্ট, 2015 হাইকোর্ট রিটের চূড়ান্ত শুনানি করে খালাস (খারিজ) করার আদেশ দেন। পূর্বে দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

২৪ বছর পর সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে

আপডেট সময় ০৯:৪৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২২

অভিনেতা সোহেল চৌধুরী হত্যার প্রায় ২৪ বছর পর হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।

রোববার মামলার বাদী সোহেলের ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী সাক্ষ্য দেন। তিনি আদালতের কাছে বিচার চেয়েছেন।

ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক জাকির হোসেন এ সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এই আদালতের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সৈয়দ শামসুল হক প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শামসুল হক জানান, আজ সাক্ষী তৌহিদুলের জবানবন্দি রেকর্ড করেন বিচারক। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বাদীকে জেরা শুরু করেন।

আজকের শুনানি উপলক্ষে আসামি আশীষ রায় চৌধুরী, সানজিদুল ইসলাম ইমন ও তারিক সাঈদ মামুনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এ ছাড়া জামিনে থাকা আসামি ফারুক আব্বাসিও আজ আদালতে হাজির হন।

১৬ বছর আগে ঢাকা মহানগরীর পিপি অফিস থেকে কেস ডকেট (সিডি) নিয়ে যান তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক ফরিদ উদ্দিন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে পাওয়া যায়। তিনি ইতিমধ্যে অবসর নিয়েছেন। তবে আজও হত্যা মামলার সিডি আদালতে পেশ করা হয়নি।

১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর গভীর রাতে বনানীর ট্রামস ক্লাবের নিচে গুলি করে হত্যা করা হয় সোহেলকে।

আরো পড়ুন

সোহেল হত্যার ঘটনায় তার ভাই তৌহিদুল বাদী হয়ে রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা করেন।

মামলায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই ৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে।

২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এ মামলায় অভিযোগ গঠন করে।

অভিযোগ গঠনের পর অভিযুক্ত আদনান সিদ্দিকী ২০০৩ সালে হাইকোর্টে রিট করেন।

২০০৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন এবং রুলসহ আদেশ জারি করেন।

5 আগস্ট, 2015 হাইকোর্ট রিটের চূড়ান্ত শুনানি করে খালাস (খারিজ) করার আদেশ দেন। পূর্বে দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করুন