১০:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪

সৌদি আরব ও ইসরায়েল মাটিতে ঐক্যবদ্ধ

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:১৮:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুন ২০২২
  • / ১১৯০ বার পড়া হয়েছে

bdopennews

সৌদি আরব ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে তাদের সমন্বিত প্রতিরক্ষা জোরদার করতে গোপন বৈঠক করেছে। চলতি বছরের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা অংশ নেন। দিন দিন সামরিক সক্ষমতায় শক্তিশালী হয়ে ওঠা ইরানকে রুখতে দুই দেশ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।

রোববার ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান সোমবার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মিশরের শারম আল-শেখ শহরে গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, জর্ডান ও মিশরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) চিফ অব স্টাফ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন দেশটির সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান জেনারেল ফ্রাঙ্ক ম্যাকেঞ্জি।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা দিন দিন বাড়ছে। এ নিয়ে ইসরায়েল ও সমমনা আরব দেশগুলোর মাথাব্যথা রয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রথমবারের মতো আরব দেশগুলোর সঙ্গে বড় ধরনের বৈঠকের আয়োজন করেছে ইসরাইল।

2020 সালের আগস্টে, ইসরায়েল তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো এবং সুদানের সাথে সম্পর্ক আনুষ্ঠানিক করার জন্য আব্রাহাম অ্যাকর্ডস নামে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। এরপর থেকে তেল আবিব দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে আসছে।

তবে সৌদি আরব ও কাতারের সঙ্গে ইসরায়েলের কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। তবে দুই দেশের মধ্যে গোপন যোগাযোগ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মার্চে ওই বৈঠকের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সৌদি আরব ও ইসরাইল আরও এগিয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কিন্তু সৌদি আরব শুরু থেকেই জোর দিয়ে বলে আসছে যে ফিলিস্তিন স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে ইসরায়েলের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। এর আগে দেশ স্বীকৃতি পাবে না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আগামী মাসের মাঝামাঝি ইসরায়েল ও সৌদি আরব সফরের পরিকল্পনা করছেন। সফরকালে তিনি দুই দেশের সম্পর্কের উন্নয়নের ঘোষণা দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান দায়িত্ব নেওয়ার পর ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে চেয়েছিলেন। সৌদি আরবের অর্থনীতিকে রূপ দিতে তিনি যুগান্তকারী সংস্কারও নিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সৌদি আরব ও ইসরায়েল মাটিতে ঐক্যবদ্ধ

আপডেট সময় ০৬:১৮:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুন ২০২২

সৌদি আরব ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে তাদের সমন্বিত প্রতিরক্ষা জোরদার করতে গোপন বৈঠক করেছে। চলতি বছরের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা অংশ নেন। দিন দিন সামরিক সক্ষমতায় শক্তিশালী হয়ে ওঠা ইরানকে রুখতে দুই দেশ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।

রোববার ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান সোমবার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মিশরের শারম আল-শেখ শহরে গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, জর্ডান ও মিশরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) চিফ অব স্টাফ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন দেশটির সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান জেনারেল ফ্রাঙ্ক ম্যাকেঞ্জি।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা দিন দিন বাড়ছে। এ নিয়ে ইসরায়েল ও সমমনা আরব দেশগুলোর মাথাব্যথা রয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রথমবারের মতো আরব দেশগুলোর সঙ্গে বড় ধরনের বৈঠকের আয়োজন করেছে ইসরাইল।

2020 সালের আগস্টে, ইসরায়েল তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো এবং সুদানের সাথে সম্পর্ক আনুষ্ঠানিক করার জন্য আব্রাহাম অ্যাকর্ডস নামে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। এরপর থেকে তেল আবিব দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে আসছে।

তবে সৌদি আরব ও কাতারের সঙ্গে ইসরায়েলের কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। তবে দুই দেশের মধ্যে গোপন যোগাযোগ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মার্চে ওই বৈঠকের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সৌদি আরব ও ইসরাইল আরও এগিয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কিন্তু সৌদি আরব শুরু থেকেই জোর দিয়ে বলে আসছে যে ফিলিস্তিন স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে ইসরায়েলের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। এর আগে দেশ স্বীকৃতি পাবে না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আগামী মাসের মাঝামাঝি ইসরায়েল ও সৌদি আরব সফরের পরিকল্পনা করছেন। সফরকালে তিনি দুই দেশের সম্পর্কের উন্নয়নের ঘোষণা দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান দায়িত্ব নেওয়ার পর ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে চেয়েছিলেন। সৌদি আরবের অর্থনীতিকে রূপ দিতে তিনি যুগান্তকারী সংস্কারও নিয়েছেন।