১০:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪

সিলেটে মা-মেয়েকে ধর্ষণ, ২ গ্রেফতার

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:১৬:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ অগাস্ট ২০২২
  • / ৩০৩ বার পড়া হয়েছে

সিলেটে মা-মেয়েকে ধর্ষণ, ২ গ্রেফতার

সিলেটে মা-মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই বন্ধুকে আটক করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে ওসমানীনগর থানায় মামলা করেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন ওসমানীনগর উপজেলার গোয়ালাবাজার সুপ্রিম ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মতিন খান ও ফিলিং স্টেশনের কাছে বগুড়া রেস্টুরেন্টের মালিক বুলবুল ফকির। মতিন ও বুলবুল একে অপরের বন্ধু। ধর্ষণের শিকার মা ও মেয়েকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওসিসি ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, নেত্রকোনো জেলার বাসিন্দা ওই নারী বুলবুলের মালিকানাধীন বগুড়া রেস্তোরাঁয় প্লেট ধোয়া ও মশলা বাটা তৈরি করতেন। সে তার কিশোরী মেয়েকে নিয়ে রেস্তোরাঁর কাছে একটি বাসা ভাড়া করত। মতিনের সঙ্গে ওই তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১৪ জুন মায়ের অনুপস্থিতিতে বাড়িতে গিয়ে মেয়েকে ধর্ষণ করে মতিন। এরপর ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে মতিন ২০ জুন ওই তরুণীকে সিলেট নগরীর একটি হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে কয়েকবার ধর্ষণ করে। বাড়িতে ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়লে মেয়েটি তার মায়ের কাছে সব কথা বলে। মা মতিনের বন্ধু রেস্টুরেন্ট মালিক বুলবুলকে বিষয়টি জানালে সে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। গত ১ আগস্ট মতিন ও বুলবুল একসঙ্গে ওই নারীর বাড়িতে যান। এসময় মতিন মেয়ে ও বুলবুলের মাকে ধর্ষণ করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। পরে বৃহস্পতিবার ভিকটিম বাদী হয়ে ওসমানীনগর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন। মামলা দায়েরের পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গোয়ালাবাজার থেকে মতিন ও বুলবুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

ওসমানীনগর থানার ওসি এসএম মাইন উদ্দিন জানান, মা ও মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনায় মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। এরপরই গ্রেফতার করা হয় দুই অভিযুক্তকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সিলেটে মা-মেয়েকে ধর্ষণ, ২ গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৪:১৬:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ অগাস্ট ২০২২

সিলেটে মা-মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই বন্ধুকে আটক করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে ওসমানীনগর থানায় মামলা করেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন ওসমানীনগর উপজেলার গোয়ালাবাজার সুপ্রিম ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মতিন খান ও ফিলিং স্টেশনের কাছে বগুড়া রেস্টুরেন্টের মালিক বুলবুল ফকির। মতিন ও বুলবুল একে অপরের বন্ধু। ধর্ষণের শিকার মা ও মেয়েকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওসিসি ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, নেত্রকোনো জেলার বাসিন্দা ওই নারী বুলবুলের মালিকানাধীন বগুড়া রেস্তোরাঁয় প্লেট ধোয়া ও মশলা বাটা তৈরি করতেন। সে তার কিশোরী মেয়েকে নিয়ে রেস্তোরাঁর কাছে একটি বাসা ভাড়া করত। মতিনের সঙ্গে ওই তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১৪ জুন মায়ের অনুপস্থিতিতে বাড়িতে গিয়ে মেয়েকে ধর্ষণ করে মতিন। এরপর ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে মতিন ২০ জুন ওই তরুণীকে সিলেট নগরীর একটি হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে কয়েকবার ধর্ষণ করে। বাড়িতে ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়লে মেয়েটি তার মায়ের কাছে সব কথা বলে। মা মতিনের বন্ধু রেস্টুরেন্ট মালিক বুলবুলকে বিষয়টি জানালে সে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। গত ১ আগস্ট মতিন ও বুলবুল একসঙ্গে ওই নারীর বাড়িতে যান। এসময় মতিন মেয়ে ও বুলবুলের মাকে ধর্ষণ করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। পরে বৃহস্পতিবার ভিকটিম বাদী হয়ে ওসমানীনগর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন। মামলা দায়েরের পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গোয়ালাবাজার থেকে মতিন ও বুলবুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

ওসমানীনগর থানার ওসি এসএম মাইন উদ্দিন জানান, মা ও মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনায় মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। এরপরই গ্রেফতার করা হয় দুই অভিযুক্তকে।