১১:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪

শেখ হাসিনা রেফারি হলে বিএনপি খেলবে না: এমপি হারুন

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:২১:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২২
  • / ৩৫৫ বার পড়া হয়েছে

bdopennews

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সম্প্রতি এক জনসভায় বলেছেন, ‘খেলা হবে, রাজপথে হবে, আন্দোলনে হবে, নির্বাচনে হবে, লড়াই হবে। রেডি হও, একটা খেলা হবে। এর প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব সংসদ সদস্য হারুন অর রশিদ বলেন, খেলার ডাকে বিএনপি প্রস্তুত রয়েছে। কিন্তু শেখ হাসিনা খেলায় রেফারি হলে বিএনপি সেই খেলায় যাবে না।

আজ রোববার সন্ধ্যা ৬টায় দিনাজপুর শহরের ইনস্টিটিউট মাঠে এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। জ্বালানি তেল, পরিবহন ভাড়াসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং পুলিশের হাতে ছাত্রদল নেতা ও স্বচ্ছসেবক দলের নেতা নিহতের প্রতিবাদে পৌর বিএনপি এ সমাবেশের আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিকী।

বর্তমান সরকারকে ‘অত্যাচারী সরকার’ আখ্যা দিয়ে সংসদ সদস্য হারুন অর রশিদ প্রশাসনের উদ্দেশে বলেন, আইন প্রয়োগে যারা বৈষম্য ও বৈষম্য করে তারা স্বৈরাচারী। জনগণের ট্যাক্সের টাকা দিয়ে বেতন-ভাতা নিয়ে জনগণের কথা না ভেবে সরকারের কথায় কান দিচ্ছে প্রশাসন। তারা সরকারের নির্দেশ পালন করে জনগণের ওপর জুলুম করছে। পুলিশি নিরাপত্তায় আওয়ামী লীগ স্কুল-কলেজ বন্ধ করে সভা-সমাবেশ করতে পারে, কিন্তু বিএনপি জনগণের সমস্যা-সংকট নিয়ে কথা বলতে চাইলে সেখানে সভা করতে দেওয়া হচ্ছে না।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের সমালোচনা করে হারুন অর রশিদ বলেন, যে কোনো মূল্যে শেখ হাসিনা সরকারকে ক্ষমতায় রাখতে ভারতের সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। অন্যদিকে দলের সাধারণ সম্পাদক বলছেন, “এই দায়িত্ব পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে দেওয়া হয়নি। শেখ হাসিনাই পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে এই অনুরোধ করতে দিল্লিতে পাঠিয়েছিলেন। বাংলাদেশকে আজ ঠাট্টা-বিদ্রুপ করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের দিন যাচ্ছে না আর দায়িত্বশীল মন্ত্রী বলছেন দেশের মানুষ স্বর্গে আছে।যারা দেশ নিয়ে ঠাট্টা-তামাশা করেছে তাদের ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়া উচিত।2023 সালে তাদের বিদায়ের ঘণ্টা বাজবে।

হারুন অর রশিদ বলেন, দেশে এখন অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক সংকট চলছে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে মানুষের দম বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যাংক থেকে টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে সব মহলে অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে। সারাদিন পরিশ্রম করে যা আয় হয় তা দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে পারছে না সাধারণ মানুষ।

এ সময় বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির রংপুর বিভাগীয় যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক, পৌর মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা বিএনপির সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আখতারুজ্জামান জুয়েল প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শেখ হাসিনা রেফারি হলে বিএনপি খেলবে না: এমপি হারুন

আপডেট সময় ০৫:২১:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২২

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সম্প্রতি এক জনসভায় বলেছেন, ‘খেলা হবে, রাজপথে হবে, আন্দোলনে হবে, নির্বাচনে হবে, লড়াই হবে। রেডি হও, একটা খেলা হবে। এর প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব সংসদ সদস্য হারুন অর রশিদ বলেন, খেলার ডাকে বিএনপি প্রস্তুত রয়েছে। কিন্তু শেখ হাসিনা খেলায় রেফারি হলে বিএনপি সেই খেলায় যাবে না।

আজ রোববার সন্ধ্যা ৬টায় দিনাজপুর শহরের ইনস্টিটিউট মাঠে এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। জ্বালানি তেল, পরিবহন ভাড়াসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং পুলিশের হাতে ছাত্রদল নেতা ও স্বচ্ছসেবক দলের নেতা নিহতের প্রতিবাদে পৌর বিএনপি এ সমাবেশের আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিকী।

বর্তমান সরকারকে ‘অত্যাচারী সরকার’ আখ্যা দিয়ে সংসদ সদস্য হারুন অর রশিদ প্রশাসনের উদ্দেশে বলেন, আইন প্রয়োগে যারা বৈষম্য ও বৈষম্য করে তারা স্বৈরাচারী। জনগণের ট্যাক্সের টাকা দিয়ে বেতন-ভাতা নিয়ে জনগণের কথা না ভেবে সরকারের কথায় কান দিচ্ছে প্রশাসন। তারা সরকারের নির্দেশ পালন করে জনগণের ওপর জুলুম করছে। পুলিশি নিরাপত্তায় আওয়ামী লীগ স্কুল-কলেজ বন্ধ করে সভা-সমাবেশ করতে পারে, কিন্তু বিএনপি জনগণের সমস্যা-সংকট নিয়ে কথা বলতে চাইলে সেখানে সভা করতে দেওয়া হচ্ছে না।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের সমালোচনা করে হারুন অর রশিদ বলেন, যে কোনো মূল্যে শেখ হাসিনা সরকারকে ক্ষমতায় রাখতে ভারতের সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। অন্যদিকে দলের সাধারণ সম্পাদক বলছেন, “এই দায়িত্ব পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে দেওয়া হয়নি। শেখ হাসিনাই পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে এই অনুরোধ করতে দিল্লিতে পাঠিয়েছিলেন। বাংলাদেশকে আজ ঠাট্টা-বিদ্রুপ করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের দিন যাচ্ছে না আর দায়িত্বশীল মন্ত্রী বলছেন দেশের মানুষ স্বর্গে আছে।যারা দেশ নিয়ে ঠাট্টা-তামাশা করেছে তাদের ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়া উচিত।2023 সালে তাদের বিদায়ের ঘণ্টা বাজবে।

হারুন অর রশিদ বলেন, দেশে এখন অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক সংকট চলছে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে মানুষের দম বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যাংক থেকে টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে সব মহলে অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে। সারাদিন পরিশ্রম করে যা আয় হয় তা দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে পারছে না সাধারণ মানুষ।

এ সময় বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির রংপুর বিভাগীয় যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক, পৌর মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা বিএনপির সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আখতারুজ্জামান জুয়েল প্রমুখ।