০৯:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪

মহিউদ্দিনের সঙ্গে জাফরুল্লাহ প্রবেশ করতে না পেরে গেটেই থেকে যান

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৪১:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ জুলাই ২০২২
  • / ৩২৪ বার পড়া হয়েছে

bdopennews

বাংলাদেশ রেলওয়ের অব্যবস্থাপনা পরিবর্তনে ছয় দফা দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনির সঙ্গে সংহতি জানাতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী কমলাপুর রেলস্টেশনে যান। তবে রেলওয়ে স্টেশনের বাইরে কলাপসিবল গেটে জাফরুল্লাহ ও মহিউদ্দিনকে আটকে দেয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। তালাবদ্ধ গেটের ভেতরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছেন এবং জাফরুল্লাহসহ অন্যরা বাইরে অবস্থান করছেন। রেলওয়ের অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে গত ৭ জুলাই থেকে কমলাপুর রেলস্টেশনে নিয়মিত বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন মহিউদ্দিন রনি। মহিউদ্দিন ও তার সহযোগীরা যথারীতি সেখানে যান রোববার বিকেল চারটার পর জাফরুল্লাহ চৌধুরী বিকেল পাঁচটার দিকে রেলস্টেশনে গেলেও বাইরের গেট বন্ধ থাকায় তারা ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি। এ সময় জাফরুল্লাহ হুইল চেয়ারে মহিউদ্দিনের সঙ্গে গেটে অবস্থান নেন এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও কমলাপুর রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, মহিউদ্দিন রনি টিকিটের কালোবাজারির প্রতিবাদ করছেন। জানি না স্টেশনমাস্টারের কত শেয়ার-শেয়ার আছে তারা কেন এত ভয় পায়, কেন তারা অন্ধকারে লুকিয়ে থাকে? তাঁকে অসম্মান করা বা নৈরাজ্য সৃষ্টি করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়, আমরা চাই রেলওয়ের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, যাতে নাগরিকরা সামান্য নিরাপত্তা ও আনন্দে রেলে যাতায়াত করতে পারে (গেট বন্ধ) কে করে? ফ্যাসিবাদী সরকার কি? গেট বন্ধ কেন? আমার কাছে কি অস্ত্র, লাঠি বা বন্দুক আছে?’

জাফরুল্লাহ চৌধুরী আরও বলেন, আমরা পাঁচজন তার (স্টেশন মাস্টার) সঙ্গে দেখা করে কথা বলতে চাই। তিনি আমাকে আটকে রেখে বোকামি দেখাচ্ছেন আমরা মুক্তিযোদ্ধারা দিনের পর দিন না খেয়ে যুদ্ধ করেছি আমরা ভাবিনি একাত্তরের পর আমরা ফিরে আসব তাই দয়া করে স্টেশনমাস্টার স্যার আমার ধৈর্য পরীক্ষা করবেন না জাফরুল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন যে তিনি গেটের বাইরে থাকবেন। প্রয়োজনে 48 ঘন্টা।

অবস্থান কর্মসূচির একপর্যায়ে মহিউদ্দিন রনি ও তার সমর্থকরা কমলাপুর রেলস্টেশনের বাইরের গেটে ধাক্কা মারে। তখন জাফরুল্লাহ চৌধুরী তাদের থামিয়ে দিয়ে বললেন, স্টেশনমাস্টার স্যার, আপনি লুকিয়ে পালিয়ে যাবেন না। তোমাকে একটা নমুনা দেখানো হল আর একটা ধাক্কা দিলে তোমার এই লোহার শিকল উড়ে যাবে।’

আজ রাত সাড়ে আটটায় এ রিপোর্ট লেখার সময় জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও মহিউদ্দিন ও তাদের সহযোগীরা কমলাপুর রেলস্টেশনের কলাপসিবল গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মহিউদ্দিনের সঙ্গে জাফরুল্লাহ প্রবেশ করতে না পেরে গেটেই থেকে যান

আপডেট সময় ০৪:৪১:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ জুলাই ২০২২

বাংলাদেশ রেলওয়ের অব্যবস্থাপনা পরিবর্তনে ছয় দফা দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনির সঙ্গে সংহতি জানাতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী কমলাপুর রেলস্টেশনে যান। তবে রেলওয়ে স্টেশনের বাইরে কলাপসিবল গেটে জাফরুল্লাহ ও মহিউদ্দিনকে আটকে দেয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। তালাবদ্ধ গেটের ভেতরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছেন এবং জাফরুল্লাহসহ অন্যরা বাইরে অবস্থান করছেন। রেলওয়ের অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে গত ৭ জুলাই থেকে কমলাপুর রেলস্টেশনে নিয়মিত বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন মহিউদ্দিন রনি। মহিউদ্দিন ও তার সহযোগীরা যথারীতি সেখানে যান রোববার বিকেল চারটার পর জাফরুল্লাহ চৌধুরী বিকেল পাঁচটার দিকে রেলস্টেশনে গেলেও বাইরের গেট বন্ধ থাকায় তারা ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি। এ সময় জাফরুল্লাহ হুইল চেয়ারে মহিউদ্দিনের সঙ্গে গেটে অবস্থান নেন এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও কমলাপুর রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, মহিউদ্দিন রনি টিকিটের কালোবাজারির প্রতিবাদ করছেন। জানি না স্টেশনমাস্টারের কত শেয়ার-শেয়ার আছে তারা কেন এত ভয় পায়, কেন তারা অন্ধকারে লুকিয়ে থাকে? তাঁকে অসম্মান করা বা নৈরাজ্য সৃষ্টি করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়, আমরা চাই রেলওয়ের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, যাতে নাগরিকরা সামান্য নিরাপত্তা ও আনন্দে রেলে যাতায়াত করতে পারে (গেট বন্ধ) কে করে? ফ্যাসিবাদী সরকার কি? গেট বন্ধ কেন? আমার কাছে কি অস্ত্র, লাঠি বা বন্দুক আছে?’

জাফরুল্লাহ চৌধুরী আরও বলেন, আমরা পাঁচজন তার (স্টেশন মাস্টার) সঙ্গে দেখা করে কথা বলতে চাই। তিনি আমাকে আটকে রেখে বোকামি দেখাচ্ছেন আমরা মুক্তিযোদ্ধারা দিনের পর দিন না খেয়ে যুদ্ধ করেছি আমরা ভাবিনি একাত্তরের পর আমরা ফিরে আসব তাই দয়া করে স্টেশনমাস্টার স্যার আমার ধৈর্য পরীক্ষা করবেন না জাফরুল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন যে তিনি গেটের বাইরে থাকবেন। প্রয়োজনে 48 ঘন্টা।

অবস্থান কর্মসূচির একপর্যায়ে মহিউদ্দিন রনি ও তার সমর্থকরা কমলাপুর রেলস্টেশনের বাইরের গেটে ধাক্কা মারে। তখন জাফরুল্লাহ চৌধুরী তাদের থামিয়ে দিয়ে বললেন, স্টেশনমাস্টার স্যার, আপনি লুকিয়ে পালিয়ে যাবেন না। তোমাকে একটা নমুনা দেখানো হল আর একটা ধাক্কা দিলে তোমার এই লোহার শিকল উড়ে যাবে।’

আজ রাত সাড়ে আটটায় এ রিপোর্ট লেখার সময় জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও মহিউদ্দিন ও তাদের সহযোগীরা কমলাপুর রেলস্টেশনের কলাপসিবল গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন।