০৯:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪

বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে সরকার ডিজেলে ফিরেছে

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২২
  • / ১০৯৯ বার পড়া হয়েছে

bdopennews

ডলার সংকটের কারণে গত জুলাই মাসে খোলা বাজার থেকে তরলীকৃত গ্যাস (এলএনজি) আমদানি বন্ধ করে সরকার। আর জ্বালানি তেলের আমদানি কমাতে ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রও বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় সারাদেশে লোডশেডিং বেড়েছে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর এখন আবারও তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদন বাড়াচ্ছে সরকার।

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গ্যাস, কয়লা, চুল্লি ও ডিজেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন সবচেয়ে ব্যয়বহুল। সর্বনিম্ন খরচ হল গ্যাস। কিন্তু আমদানি নির্ভরতার কারণে গ্যাসের সরবরাহ কমে গেছে। তাই তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বেশি চালাতে বাধ্য হচ্ছে। এতে পিডিবির উৎপাদন খরচ বাড়বে। সরকারি ভর্তুকিতে চাপ থাকবে। চাপ সামলাতে বিদ্যুতের দাম বাড়তে পারে।

পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (পিডিবি) সূত্র জানায়, বর্তমানে ডিজেল থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনের গড় খরচ প্রায় ২৫ টাকা। চুল্লি থেকে উৎপাদন খরচ প্রায় ১৫ টাকা। আর গ্যাস থেকে ইউনিট প্রতি গড় উৎপাদন খরচ ৪ টাকা। কিন্তু সব মিলিয়ে পিডিবির গড় উৎপাদন খরচ এখন ৯ টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

বিল বকেয়া থাকায় পাকিস্তানের সব তেলচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দেশে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং করতে হয়েছে। দেশে ব্যাপক লোডশেডিং এড়াতে এটি দ্রুত সমাধান করা দরকার। তেলের সরবরাহ কোনো না কোনোভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

সহকারী এম. তামিম, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জ্বালানি বিষয়ক সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড

পিডিবি ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, খরার কারণে আমন চাষে সেচের ব্যবহার বেড়েছে। তাপমাত্রা কমছে না। তাই বিদ্যুতের বর্ধিত চাহিদা মেটাতে ইতিমধ্যেই সব ডিজেল চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করা হয়েছে। স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হারে চলছে এসব কেন্দ্র। বিপিসি হঠাৎ করেই পিডিবির কাছ থেকে ৯ গুণ বেশি ডিজেল সরবরাহের চাহিদা পেয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ খাতে ফার্নেস অয়েলের চাহিদাও দ্বিগুণ হয়েছে।

২০২২ সালের মাসিক জ্বালানি তেলের চাহিদা জানিয়ে গত বছরের অক্টোবরে বিপিসিকে চিঠি দেয় পিডিবি। সে অনুযায়ী আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত তিন মাসে ডিজেলের চাহিদা ছিল ৪২ হাজার টন। সারা বছর এই চাহিদা ১ লাখ ৭৮ হাজার টন। এখন তিন মাস ধরে পিডিবির ডিজেলের চাহিদা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৯১ হাজার টন। আর তিন মাসের ফার্নেস অয়েলের চাহিদা ১ লাখ ৪৬ হাজার টনের পরিবর্তে ২ লাখ ৯১ হাজার টন করা হয়েছে।

৮ আগস্ট পিডিবির চিঠিতে বলা হয়, ফার্নেস অয়েলচালিত সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র, কাটাখালী ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং ডিজেলচালিত সরকারি-বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য নতুন চাহিদা জানানো হয়েছে।

এর আগে ৬ আগস্ট থেকে ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ৩৪ টাকা বাড়ানোর পর ১৫ আগস্ট থেকে ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ে ১৩ টাকা।

গত ১৯ জুলাই থেকে সব ডিজেল চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে পরিকল্পিত লোডশেডিং শুরু হয়। এক ঘণ্টার জন্য হলেও দেশের অধিকাংশ স্থানে কয়েক ঘণ্টা লোডশেডিং করা হয়। এরপর ২৪ জুলাই খুলনা ও সিরাজগঞ্জে দুটি ডিজেল চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হয়। এরপর লোডশেডিং পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় ৭ আগস্ট থেকে পর্যায়ক্রমে সব ডিজেল চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করা হয়। লোডশেডিং সহনীয় রাখতে এখন তেলচালিত প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। এবং পিডিবি।

পিডিবি সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানির উচ্চমূল্য ও অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতার ভাড়া (ক্যাপাসিটি চার্জ) মেটাতে পিডিবি ব্যাপক লোকসানের চাপে রয়েছে। তারা নিয়মিত ভর্তুকি পাচ্ছেন না। তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিল নিয়মিত পরিশোধ করা যাচ্ছে না। ব্যবসায়ীরাও আর্থিক চাপে পড়েছেন। তারা নিজেরাই বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য জ্বালানি তেল আমদানি করে।

ডলারের বিনিময় হারের ওঠানামার কারণে পাওয়ার প্ল্যান্টগুলি শক্তির বিলগুলিতে ক্ষতির সম্মুখীন হয়। বেশি দামে ডলার কিনে তেল আমদানি ঋণ খুললেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত বিনিময় হারে বিল পরিশোধ করছে পিডিবি। তারাও হেরে যাচ্ছে। তাই কেউ কেউ তেল আমদানি করতে পারছেন না।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ BD OPEN NEWS

বলেন, কিছু বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র আর্থিক সমস্যার কারণে জ্বালানি তেল আমদানি করতে পারছে না। বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি ধরে রাখতে বিপিসির মাধ্যমে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।

হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় চাপে বিপিসি

বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, সরকারি-বেসরকারি সব কেন্দ্রে ফার্নেস তেল সরবরাহ করত বিপিসি। এরপর বেসরকারি উদ্যোক্তারা অনুমতি নিয়ে নিজেরাই আমদানি শুরু করলে এ খাতে বিপিসির সরবরাহ কমতে থাকে। বর্তমানে ফার্নেস অয়েল চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংখ্যা ৬০টি। এর মধ্যে ৪০টি বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় তেল আমদানি করে। দেশের সব ফার্নেস অয়েল চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের গড় মাসিক তেলের চাহিদা ৪ লাখ টন।

ইমরান করিম, বাংলাদেশ ইন্ডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন (বিপ্পা), একটি বেসরকারি সংস্থার সভাপতি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে সরকার ডিজেলে ফিরেছে

আপডেট সময় ০৬:১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২২

ডলার সংকটের কারণে গত জুলাই মাসে খোলা বাজার থেকে তরলীকৃত গ্যাস (এলএনজি) আমদানি বন্ধ করে সরকার। আর জ্বালানি তেলের আমদানি কমাতে ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রও বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় সারাদেশে লোডশেডিং বেড়েছে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর এখন আবারও তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদন বাড়াচ্ছে সরকার।

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গ্যাস, কয়লা, চুল্লি ও ডিজেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন সবচেয়ে ব্যয়বহুল। সর্বনিম্ন খরচ হল গ্যাস। কিন্তু আমদানি নির্ভরতার কারণে গ্যাসের সরবরাহ কমে গেছে। তাই তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বেশি চালাতে বাধ্য হচ্ছে। এতে পিডিবির উৎপাদন খরচ বাড়বে। সরকারি ভর্তুকিতে চাপ থাকবে। চাপ সামলাতে বিদ্যুতের দাম বাড়তে পারে।

পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (পিডিবি) সূত্র জানায়, বর্তমানে ডিজেল থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনের গড় খরচ প্রায় ২৫ টাকা। চুল্লি থেকে উৎপাদন খরচ প্রায় ১৫ টাকা। আর গ্যাস থেকে ইউনিট প্রতি গড় উৎপাদন খরচ ৪ টাকা। কিন্তু সব মিলিয়ে পিডিবির গড় উৎপাদন খরচ এখন ৯ টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

বিল বকেয়া থাকায় পাকিস্তানের সব তেলচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দেশে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং করতে হয়েছে। দেশে ব্যাপক লোডশেডিং এড়াতে এটি দ্রুত সমাধান করা দরকার। তেলের সরবরাহ কোনো না কোনোভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

সহকারী এম. তামিম, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জ্বালানি বিষয়ক সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড

পিডিবি ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, খরার কারণে আমন চাষে সেচের ব্যবহার বেড়েছে। তাপমাত্রা কমছে না। তাই বিদ্যুতের বর্ধিত চাহিদা মেটাতে ইতিমধ্যেই সব ডিজেল চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করা হয়েছে। স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হারে চলছে এসব কেন্দ্র। বিপিসি হঠাৎ করেই পিডিবির কাছ থেকে ৯ গুণ বেশি ডিজেল সরবরাহের চাহিদা পেয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ খাতে ফার্নেস অয়েলের চাহিদাও দ্বিগুণ হয়েছে।

২০২২ সালের মাসিক জ্বালানি তেলের চাহিদা জানিয়ে গত বছরের অক্টোবরে বিপিসিকে চিঠি দেয় পিডিবি। সে অনুযায়ী আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত তিন মাসে ডিজেলের চাহিদা ছিল ৪২ হাজার টন। সারা বছর এই চাহিদা ১ লাখ ৭৮ হাজার টন। এখন তিন মাস ধরে পিডিবির ডিজেলের চাহিদা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৯১ হাজার টন। আর তিন মাসের ফার্নেস অয়েলের চাহিদা ১ লাখ ৪৬ হাজার টনের পরিবর্তে ২ লাখ ৯১ হাজার টন করা হয়েছে।

৮ আগস্ট পিডিবির চিঠিতে বলা হয়, ফার্নেস অয়েলচালিত সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র, কাটাখালী ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং ডিজেলচালিত সরকারি-বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য নতুন চাহিদা জানানো হয়েছে।

এর আগে ৬ আগস্ট থেকে ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ৩৪ টাকা বাড়ানোর পর ১৫ আগস্ট থেকে ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ে ১৩ টাকা।

গত ১৯ জুলাই থেকে সব ডিজেল চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে পরিকল্পিত লোডশেডিং শুরু হয়। এক ঘণ্টার জন্য হলেও দেশের অধিকাংশ স্থানে কয়েক ঘণ্টা লোডশেডিং করা হয়। এরপর ২৪ জুলাই খুলনা ও সিরাজগঞ্জে দুটি ডিজেল চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হয়। এরপর লোডশেডিং পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় ৭ আগস্ট থেকে পর্যায়ক্রমে সব ডিজেল চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করা হয়। লোডশেডিং সহনীয় রাখতে এখন তেলচালিত প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। এবং পিডিবি।

পিডিবি সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানির উচ্চমূল্য ও অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতার ভাড়া (ক্যাপাসিটি চার্জ) মেটাতে পিডিবি ব্যাপক লোকসানের চাপে রয়েছে। তারা নিয়মিত ভর্তুকি পাচ্ছেন না। তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিল নিয়মিত পরিশোধ করা যাচ্ছে না। ব্যবসায়ীরাও আর্থিক চাপে পড়েছেন। তারা নিজেরাই বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য জ্বালানি তেল আমদানি করে।

ডলারের বিনিময় হারের ওঠানামার কারণে পাওয়ার প্ল্যান্টগুলি শক্তির বিলগুলিতে ক্ষতির সম্মুখীন হয়। বেশি দামে ডলার কিনে তেল আমদানি ঋণ খুললেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত বিনিময় হারে বিল পরিশোধ করছে পিডিবি। তারাও হেরে যাচ্ছে। তাই কেউ কেউ তেল আমদানি করতে পারছেন না।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ BD OPEN NEWS

বলেন, কিছু বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র আর্থিক সমস্যার কারণে জ্বালানি তেল আমদানি করতে পারছে না। বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি ধরে রাখতে বিপিসির মাধ্যমে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।

হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় চাপে বিপিসি

বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, সরকারি-বেসরকারি সব কেন্দ্রে ফার্নেস তেল সরবরাহ করত বিপিসি। এরপর বেসরকারি উদ্যোক্তারা অনুমতি নিয়ে নিজেরাই আমদানি শুরু করলে এ খাতে বিপিসির সরবরাহ কমতে থাকে। বর্তমানে ফার্নেস অয়েল চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংখ্যা ৬০টি। এর মধ্যে ৪০টি বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় তেল আমদানি করে। দেশের সব ফার্নেস অয়েল চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের গড় মাসিক তেলের চাহিদা ৪ লাখ টন।

ইমরান করিম, বাংলাদেশ ইন্ডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন (বিপ্পা), একটি বেসরকারি সংস্থার সভাপতি