১২:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

বালু উত্তোলন বন্ধ থাকায় উন্নয়ন কাজ হুমকির মুখে পড়েছে

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৪৪:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ অগাস্ট ২০২২
  • / ৭৩৯ বার পড়া হয়েছে

বালু উত্তোলন বন্ধ থাকায় উন্নয়ন কাজ হুমকির মুখে পড়েছে

নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধ থাকায় সরকারি-বেসরকারি উন্নয়ন কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। এ কারণে দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হুমকির মুখে পড়েছে। তবে বালির পাড় ও সাঁকোর কারণে নদীতে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। একই সঙ্গে নদীগুলো তাদের নাব্যতা হারাচ্ছে। আর যারা এ কাজের সঙ্গে জড়িত তাদের কর্মসংস্থান হারানোর আশঙ্কা রয়েছে এমন ৩ লাখ মানুষ।

সরকারি উন্নয়ন কাজের মধ্যে পদ্মা সেতুর কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। কর্ণফুলী টানেলের কাজও শেষ পর্যায়ে। বড় বড় মেগা প্রকল্পগুলো ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছে। এসব মেগা প্রকল্প দেশের চিত্র পাল্টে দিচ্ছে। সারাদেশে অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এই অবকাঠামোগত উন্নয়ন শুধু সরকারই নয়, বেসরকারি উদ্যোগও করছে। আর অবকাঠামো উন্নয়নের অন্যতম উপকরণ হল বালি। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে একটি মহল বালু উত্তোলন নিয়ে বিভিন্ন মহলে ভুল তথ্য ও অপপ্রচার চালাচ্ছে।

জানা গেছে, দেশে নদী রয়েছে ১ হাজার ৩০০টি। জোয়ার ও বন্যার কারণে এই নদীগুলোতে প্রচুর পলিমাটি জন্মে। নদী ভরাট হয়ে বিভিন্ন স্থানে চর জেগে উঠেছে। এসব কারণে নদীর গতিপথ ও নৌযান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানে বর্তমান সরকার নদীগুলোকে যান চলাচলের উপযোগী করতে ২০১০ সালে বিশেষ উদ্যোগ নেয়। সে সময় ড্রেজিং খাতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে শত শত কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়। বালু উত্তোলন ও ড্রেজিংয়ে প্রায় তিন লাখ সরকারি ও বেসরকারি খাতের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। সরকার যথাযথভাবে বালু উত্তোলনের জন্য বালুমহাল এবং মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ প্রণয়ন করেছে। এই আইনের মাধ্যমে বালু উত্তোলন ও নদী খননের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতি ও পদ্ধতি প্রণয়ন করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বালু উত্তোলন বন্ধ থাকায় উন্নয়ন কাজ হুমকির মুখে পড়েছে

আপডেট সময় ০৬:৪৪:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ অগাস্ট ২০২২

নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধ থাকায় সরকারি-বেসরকারি উন্নয়ন কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। এ কারণে দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হুমকির মুখে পড়েছে। তবে বালির পাড় ও সাঁকোর কারণে নদীতে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। একই সঙ্গে নদীগুলো তাদের নাব্যতা হারাচ্ছে। আর যারা এ কাজের সঙ্গে জড়িত তাদের কর্মসংস্থান হারানোর আশঙ্কা রয়েছে এমন ৩ লাখ মানুষ।

সরকারি উন্নয়ন কাজের মধ্যে পদ্মা সেতুর কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। কর্ণফুলী টানেলের কাজও শেষ পর্যায়ে। বড় বড় মেগা প্রকল্পগুলো ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছে। এসব মেগা প্রকল্প দেশের চিত্র পাল্টে দিচ্ছে। সারাদেশে অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এই অবকাঠামোগত উন্নয়ন শুধু সরকারই নয়, বেসরকারি উদ্যোগও করছে। আর অবকাঠামো উন্নয়নের অন্যতম উপকরণ হল বালি। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে একটি মহল বালু উত্তোলন নিয়ে বিভিন্ন মহলে ভুল তথ্য ও অপপ্রচার চালাচ্ছে।

জানা গেছে, দেশে নদী রয়েছে ১ হাজার ৩০০টি। জোয়ার ও বন্যার কারণে এই নদীগুলোতে প্রচুর পলিমাটি জন্মে। নদী ভরাট হয়ে বিভিন্ন স্থানে চর জেগে উঠেছে। এসব কারণে নদীর গতিপথ ও নৌযান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানে বর্তমান সরকার নদীগুলোকে যান চলাচলের উপযোগী করতে ২০১০ সালে বিশেষ উদ্যোগ নেয়। সে সময় ড্রেজিং খাতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে শত শত কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়। বালু উত্তোলন ও ড্রেজিংয়ে প্রায় তিন লাখ সরকারি ও বেসরকারি খাতের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। সরকার যথাযথভাবে বালু উত্তোলনের জন্য বালুমহাল এবং মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ প্রণয়ন করেছে। এই আইনের মাধ্যমে বালু উত্তোলন ও নদী খননের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতি ও পদ্ধতি প্রণয়ন করা হয়।