১০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪

পুতিন বললেন, রাশিয়ার প্রধান হুমকি যুক্তরাষ্ট্র

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:৩৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ জুলাই ২০২২
  • / ৬৭১ বার পড়া হয়েছে

পুতিন বললেন, রাশিয়ার প্রধান হুমকি যুক্তরাষ্ট্র

প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুক্তরাষ্ট্রকে রাশিয়ার ‘প্রধান হুমকি’ বলে বর্ণনা করেছেন। রোববার দেশটির নৌবাহিনী দিবসে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

রয়টার্সের মতে, নৌবাহিনী দিবসে, রাষ্ট্রপতি পুতিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রধান হুমকি হিসাবে চিহ্নিত করেছেন এবং রাশিয়ান নৌবাহিনীর বৈশ্বিক লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। এই লক্ষ্যগুলি উত্তর মহাসাগর (আর্কটিক) এবং কৃষ্ণ সাগরকে কেন্দ্র করে।

রাশিয়ার প্রাক্তন রাজধানী সেন্ট পিটার্সবার্গে নৌবাহিনী দিবসের বক্তৃতায় পুতিন একটি শক্তিশালী নৌবাহিনী গড়ে তোলার জন্য আধুনিক রাশিয়ার রূপকার পিটার দ্য গ্রেটের প্রশংসা করেন।

মহড়া পর্যবেক্ষণের পর একটি সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় পুতিন জিরকন হাইপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের কথা বলেন। তিনি বলেন, যেকোনো সম্ভাব্য আগ্রাসীকে পরাজিত করার ক্ষমতা রাশিয়ার রয়েছে।

বক্তৃতার আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ৫৫ পৃষ্ঠার নৌ নীতিতে স্বাক্ষর করেন। এর লক্ষ্য সারা বিশ্বে শক্তিশালী নৌশক্তি অর্জন করা।

 ভাষণে পুতিন সরাসরি ইউক্রেনের সংঘাতের কথা বলেননি। তবে তিনি কৃষ্ণ সাগর ও আজভ সাগরে রাশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী করার কথা বলেছেন। রাশিয়ার সমুদ্রসীমা ৩৭ হাজার ৬৫০ কিলোমিটার। সূত্র: রয়টার্স

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পুতিন বললেন, রাশিয়ার প্রধান হুমকি যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ১১:৩৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ জুলাই ২০২২

প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুক্তরাষ্ট্রকে রাশিয়ার ‘প্রধান হুমকি’ বলে বর্ণনা করেছেন। রোববার দেশটির নৌবাহিনী দিবসে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

রয়টার্সের মতে, নৌবাহিনী দিবসে, রাষ্ট্রপতি পুতিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রধান হুমকি হিসাবে চিহ্নিত করেছেন এবং রাশিয়ান নৌবাহিনীর বৈশ্বিক লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। এই লক্ষ্যগুলি উত্তর মহাসাগর (আর্কটিক) এবং কৃষ্ণ সাগরকে কেন্দ্র করে।

রাশিয়ার প্রাক্তন রাজধানী সেন্ট পিটার্সবার্গে নৌবাহিনী দিবসের বক্তৃতায় পুতিন একটি শক্তিশালী নৌবাহিনী গড়ে তোলার জন্য আধুনিক রাশিয়ার রূপকার পিটার দ্য গ্রেটের প্রশংসা করেন।

মহড়া পর্যবেক্ষণের পর একটি সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় পুতিন জিরকন হাইপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের কথা বলেন। তিনি বলেন, যেকোনো সম্ভাব্য আগ্রাসীকে পরাজিত করার ক্ষমতা রাশিয়ার রয়েছে।

বক্তৃতার আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ৫৫ পৃষ্ঠার নৌ নীতিতে স্বাক্ষর করেন। এর লক্ষ্য সারা বিশ্বে শক্তিশালী নৌশক্তি অর্জন করা।

 ভাষণে পুতিন সরাসরি ইউক্রেনের সংঘাতের কথা বলেননি। তবে তিনি কৃষ্ণ সাগর ও আজভ সাগরে রাশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী করার কথা বলেছেন। রাশিয়ার সমুদ্রসীমা ৩৭ হাজার ৬৫০ কিলোমিটার। সূত্র: রয়টার্স