০৮:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪

ডেঙ্গু রোগীর কথা শুনে উপস্থিত মেয়র আতিক ড্রোন উড়িয়ে দেন

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:২৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ জুলাই ২০২২
  • / ৯৮৭ বার পড়া হয়েছে

ডেঙ্গু রোগীর কথা শুনে উপস্থিত মেয়র আতিক ড্রোন উড়িয়ে দেন

৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের খিলবাড়িটেক এলাকায় ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হওয়ার খবর পেয়ে হাজির হন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।

বুধবার তিনি এলাকাজুড়ে পিকআপ ভ্যানে করে এডিস মশা সংক্রান্ত লিফলেট বিতরণ করেন। এছাড়া ডেঙ্গু রোগী পাওয়া বাড়ির আশপাশের এলাকায় ড্রোন উড়িয়ে ছাদে এডিস মশার উপযোগী পরিবেশ দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন মেয়র।

খিলবাড়িটেক এলাকায় মেয়র প্রথমে এডিস মশার উৎস ধ্বংসের বিষয়ে সাধারণ বাসিন্দাদের সচেতন করেন। ৩৯ নং ওয়ার্ডের মশা নিয়ন্ত্রণ অফিসে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা সৃষ্টিতে সবাইকে কাজ করার নির্দেশ দেন। পরে এলাকা পরিদর্শন করেন যেখানে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়। ড্রোনটিকে আশেপাশের বেশ কয়েকটি ছাদে ওড়ার নির্দেশ দিয়ে তিনি ড্রোনের ডিসপ্লে দিয়ে পুরো বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি যেসব ভবনের ছাদে এডিস মশার চিহ্ন পাওয়া যায়, সেসব ভবনের মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

এ সময় তিনি বলেন, যেখানেই লার্ভা পাওয়া যাবে, সেখানে অভিযানের মাধ্যমে জরিমানাসহ নিয়মিত মামলা করবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। এডিস নির্মূলে ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। যেকোনো স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত ফেলে দিতে হবে। জমে থাকা পানিতে মশা বংশবিস্তার করে। তাই সবাই সচেতন না হলে মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

আমরা কাজ করছি, নিজের আঙিনায় কোথাও পানি জমতে দেবেন না। সবাই সচেতন না হলে এইডস নির্মূল করা কঠিন। আমাদের ড্রোন শুধুমাত্র এডিস লার্ভার উৎস খুঁজে বের করতে ব্যবহার করা হয়, মশা মারতে নয়।

আতিকুল ইসলাম আরও বলেন, ড্রোন ব্যবহার করে লার্ভার উৎস খুঁজে বের করতে উত্তর সিটি করপোরেশন এ পর্যন্ত ১৯ হাজার বাড়িতে জরিপ করেছে। বেনামে সিটি কর্পোরেশনে ডেঙ্গু রোগীদের রিপোর্ট করুন। তাহলে আমরা সেসব এলাকায় মশা নিয়ন্ত্রণে গতি আনতে পারব এবং এডিস মশার উৎস নির্মূল করতে পারব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ডেঙ্গু রোগীর কথা শুনে উপস্থিত মেয়র আতিক ড্রোন উড়িয়ে দেন

আপডেট সময় ০৮:২৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ জুলাই ২০২২

৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের খিলবাড়িটেক এলাকায় ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হওয়ার খবর পেয়ে হাজির হন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।

বুধবার তিনি এলাকাজুড়ে পিকআপ ভ্যানে করে এডিস মশা সংক্রান্ত লিফলেট বিতরণ করেন। এছাড়া ডেঙ্গু রোগী পাওয়া বাড়ির আশপাশের এলাকায় ড্রোন উড়িয়ে ছাদে এডিস মশার উপযোগী পরিবেশ দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন মেয়র।

খিলবাড়িটেক এলাকায় মেয়র প্রথমে এডিস মশার উৎস ধ্বংসের বিষয়ে সাধারণ বাসিন্দাদের সচেতন করেন। ৩৯ নং ওয়ার্ডের মশা নিয়ন্ত্রণ অফিসে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা সৃষ্টিতে সবাইকে কাজ করার নির্দেশ দেন। পরে এলাকা পরিদর্শন করেন যেখানে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়। ড্রোনটিকে আশেপাশের বেশ কয়েকটি ছাদে ওড়ার নির্দেশ দিয়ে তিনি ড্রোনের ডিসপ্লে দিয়ে পুরো বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি যেসব ভবনের ছাদে এডিস মশার চিহ্ন পাওয়া যায়, সেসব ভবনের মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

এ সময় তিনি বলেন, যেখানেই লার্ভা পাওয়া যাবে, সেখানে অভিযানের মাধ্যমে জরিমানাসহ নিয়মিত মামলা করবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। এডিস নির্মূলে ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। যেকোনো স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত ফেলে দিতে হবে। জমে থাকা পানিতে মশা বংশবিস্তার করে। তাই সবাই সচেতন না হলে মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

আমরা কাজ করছি, নিজের আঙিনায় কোথাও পানি জমতে দেবেন না। সবাই সচেতন না হলে এইডস নির্মূল করা কঠিন। আমাদের ড্রোন শুধুমাত্র এডিস লার্ভার উৎস খুঁজে বের করতে ব্যবহার করা হয়, মশা মারতে নয়।

আতিকুল ইসলাম আরও বলেন, ড্রোন ব্যবহার করে লার্ভার উৎস খুঁজে বের করতে উত্তর সিটি করপোরেশন এ পর্যন্ত ১৯ হাজার বাড়িতে জরিপ করেছে। বেনামে সিটি কর্পোরেশনে ডেঙ্গু রোগীদের রিপোর্ট করুন। তাহলে আমরা সেসব এলাকায় মশা নিয়ন্ত্রণে গতি আনতে পারব এবং এডিস মশার উৎস নির্মূল করতে পারব।