০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪

জ্বালানি তেলের মজুদের কোনো ঘাটতি নেই, শঙ্কা রয়েছে

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:২১:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ জুলাই ২০২২
  • / ৮৩৩ বার পড়া হয়েছে

জ্বালানি তেলের মজুদের কোনো ঘাটতি নেই, শঙ্কা রয়েছে

দেশে এখনো জ্বালানি তেলের মজুদের কোনো ঘাটতি নেই। সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকা ডিজেলের ৩০ দিনের সরবরাহ রয়েছে৷ এ ছাড়া বিদেশ থেকে ডিজেল আনা আরও তিনটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ছাড়ার অপেক্ষায় রয়েছে। আমদানির নিয়মিত ক্রয় আদেশও চলছে। তবে লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) খোলা ও বিল পরিশোধের জটিলতা কমেনি। তাই মজুদ রাখা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।

ডিজেলের  দিনের স্টোরেজ আছে। আরো তিনটি জাহাজ মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। আমদানি ঋণপত্র ও বিল পরিশোধে জটিলতা কমেনি।

জ্বালানি তেল আমদানি ও সরবরাহের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বিপিসির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলছেন, দেশে ডিজেল মজুদ ক্ষমতা ৬ লাখ ৪ হাজার ৪৯৫ টন। যাইহোক, পূর্ণ ক্ষমতা সবসময় ব্যবহার করা হয় না। গতকাল রবিবার পর্যন্ত বিপিসির কাছে ড

৪00,000 টনের একটু বেশি মজুদ আছে। প্রতিদিন গড়ে ১২ থেকে ১৪ হাজার টন ব্যবহার হয়।

পরিবহন খাতে সবচেয়ে বেশি ডিজেল ব্যবহৃত হয়। এছাড়া কৃষি সেচ ও বিদ্যুৎ খাতেও ডিজেল ব্যবহৃত হয়। তাদের বার্ষিক মোট জ্বালানি সরবরাহের ৭৩ শতাংশ ডিজেল। বিপিসি বছরে ৪৫ থেকে ৪৬ লাখ টন ডিজেল বিক্রি করে। ডিজেল ছাড়াও, বিপিসি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য ফার্নেস তেল, পরিবহনের জন্য অকটেন, বিমানের জন্য জেট ফুয়েল এবং অপরিশোধিত তেল আমদানি করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জ্বালানি তেলের মজুদের কোনো ঘাটতি নেই, শঙ্কা রয়েছে

আপডেট সময় ০৮:২১:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ জুলাই ২০২২

দেশে এখনো জ্বালানি তেলের মজুদের কোনো ঘাটতি নেই। সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকা ডিজেলের ৩০ দিনের সরবরাহ রয়েছে৷ এ ছাড়া বিদেশ থেকে ডিজেল আনা আরও তিনটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ছাড়ার অপেক্ষায় রয়েছে। আমদানির নিয়মিত ক্রয় আদেশও চলছে। তবে লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) খোলা ও বিল পরিশোধের জটিলতা কমেনি। তাই মজুদ রাখা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।

ডিজেলের  দিনের স্টোরেজ আছে। আরো তিনটি জাহাজ মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। আমদানি ঋণপত্র ও বিল পরিশোধে জটিলতা কমেনি।

জ্বালানি তেল আমদানি ও সরবরাহের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বিপিসির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলছেন, দেশে ডিজেল মজুদ ক্ষমতা ৬ লাখ ৪ হাজার ৪৯৫ টন। যাইহোক, পূর্ণ ক্ষমতা সবসময় ব্যবহার করা হয় না। গতকাল রবিবার পর্যন্ত বিপিসির কাছে ড

৪00,000 টনের একটু বেশি মজুদ আছে। প্রতিদিন গড়ে ১২ থেকে ১৪ হাজার টন ব্যবহার হয়।

পরিবহন খাতে সবচেয়ে বেশি ডিজেল ব্যবহৃত হয়। এছাড়া কৃষি সেচ ও বিদ্যুৎ খাতেও ডিজেল ব্যবহৃত হয়। তাদের বার্ষিক মোট জ্বালানি সরবরাহের ৭৩ শতাংশ ডিজেল। বিপিসি বছরে ৪৫ থেকে ৪৬ লাখ টন ডিজেল বিক্রি করে। ডিজেল ছাড়াও, বিপিসি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য ফার্নেস তেল, পরিবহনের জন্য অকটেন, বিমানের জন্য জেট ফুয়েল এবং অপরিশোধিত তেল আমদানি করে।