১১:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করতে বিকেলে বসেছে মেডিকেল বোর্ড

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:১৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুন ২০২২
  • / ৪৭৩ বার পড়া হয়েছে

bdopennews

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে বলেন, মেডিকেল বোর্ডে এভারকেয়ার হাসপাতালের ১২ জন চিকিৎসক রয়েছেন। আর বাইরের চিকিৎসক রয়েছেন ছয়জন। বোর্ডের নেতৃত্বে আছেন ইভাকেয়ারের কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান ডাঃ শাহবুদ্দিন তালুকদার।

এর আগে বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে যাওয়া ছাড়া চিকিৎসা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছিলেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার হার্টে এখনো দুটি ব্লক রয়েছে। এই দুই ব্লকের কারণে বেগম জিয়াকে আবারও হার্টে রিং পরাতে হবে। আর এজন্য তাকে দ্রুত বিদেশে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যেতে হবে

শনিবার (১১ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, খালেদা জিয়া হালকা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। হৃৎপিণ্ডের মূল ধমনীতে ৯৯% ব্লক পাওয়া যায়। আংটি পরা হয়। তিনি আবারও বেগম জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

হঠাৎ হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতায় শুক্রবার (১০ জুন) মধ্যরাতে গুলশানের বাসা ফিরোজা থেকে বেগম খালেদা জিয়াকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি করা হয়। করোনারি কেয়ার ইউনিটে ভর্তির পর শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বেগম জিয়ার জন্য গঠিত ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড বৈঠকে বসে। বৈঠকে বেগম জিয়ার হার্টের জটিলতার জন্য এনজিওগ্রামসহ বিভিন্ন শারীরিক পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা।

2021 সালের এপ্রিলে কোভিড-এ আক্রান্ত হওয়ার পর বেগম খালেদা জিয়া পাঁচবার হাসপাতালে ভর্তি হন। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ৮ এপ্রিল তাকে একই হাসপাতালে নেওয়া হয়। এর আগে চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, বেগম জিয়া ‘পরিপাকতন্ত্রে’ রক্তক্ষরণ ও লিভারের সিরোসিসে ভুগছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাত, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস ও চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করতে বিকেলে বসেছে মেডিকেল বোর্ড

আপডেট সময় ১১:১৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুন ২০২২

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে বলেন, মেডিকেল বোর্ডে এভারকেয়ার হাসপাতালের ১২ জন চিকিৎসক রয়েছেন। আর বাইরের চিকিৎসক রয়েছেন ছয়জন। বোর্ডের নেতৃত্বে আছেন ইভাকেয়ারের কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান ডাঃ শাহবুদ্দিন তালুকদার।

এর আগে বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে যাওয়া ছাড়া চিকিৎসা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছিলেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার হার্টে এখনো দুটি ব্লক রয়েছে। এই দুই ব্লকের কারণে বেগম জিয়াকে আবারও হার্টে রিং পরাতে হবে। আর এজন্য তাকে দ্রুত বিদেশে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যেতে হবে

শনিবার (১১ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, খালেদা জিয়া হালকা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। হৃৎপিণ্ডের মূল ধমনীতে ৯৯% ব্লক পাওয়া যায়। আংটি পরা হয়। তিনি আবারও বেগম জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

হঠাৎ হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতায় শুক্রবার (১০ জুন) মধ্যরাতে গুলশানের বাসা ফিরোজা থেকে বেগম খালেদা জিয়াকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি করা হয়। করোনারি কেয়ার ইউনিটে ভর্তির পর শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বেগম জিয়ার জন্য গঠিত ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড বৈঠকে বসে। বৈঠকে বেগম জিয়ার হার্টের জটিলতার জন্য এনজিওগ্রামসহ বিভিন্ন শারীরিক পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা।

2021 সালের এপ্রিলে কোভিড-এ আক্রান্ত হওয়ার পর বেগম খালেদা জিয়া পাঁচবার হাসপাতালে ভর্তি হন। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ৮ এপ্রিল তাকে একই হাসপাতালে নেওয়া হয়। এর আগে চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, বেগম জিয়া ‘পরিপাকতন্ত্রে’ রক্তক্ষরণ ও লিভারের সিরোসিসে ভুগছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাত, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস ও চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।