০৯:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪

খাবার ছিনতাই ও ধর্ষণের অভিযোগে বাধা দেওয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রীকে হত্যা: পিবিআই

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৫৯:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুন ২০২২
  • / ৩৯৪ বার পড়া হয়েছে

bdopennews

খাবার ছিনতাই ও ধর্ষণের অভিযোগে বাধা দেওয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রীকে হত্যা: পিবিআই

৯ মার্চ চট্টগ্রামের আল্লামা শাহ সুফি আশিয়ার রহমান (ওরফে) মাদ্রাসার একটি ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে মাশফির লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশটি কম্বলে মোড়ানো ছিল। সে মাদ্রাসার কায়দা শাখার ছাত্র ছিল।

ওই রাতেই মাশফির চাচা মাসুদ খান বাদী হয়ে বোয়ালখালী থানায় মামলা করেন। ঘটনার পর মাদ্রাসার তিন শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরে তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়। মামলার রহস্য উদঘাটন করতে না পারায় এক মাস আগে আদালত পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান প্রথম আলো</em>কে বলেন, হত্যাকাণ্ডের কোনো সূত্র (উৎস) পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে মাদ্রাসার কেউ মুখ খোলেননি। পরে পিবিআই কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে রহস্য উদঘাটন করে। মাদ্রাসার দুই ছাত্র হত্যার কথা স্বীকার করেছে।

অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থীর বক্তব্যের বরাত দিয়ে পিবিআই কর্মকর্তা বলেন, নিহত মাশফি নিয়মিত বাসা থেকে খাবার আনতেন। দুই আসামি প্রায়ই তার কাছ থেকে খাবার ছিনিয়ে নিত। এ নিয়ে মাশফি তার মামা ও বড় ভাইয়ের কাছে অভিযোগ করেন। এতে ওই দুই শিক্ষার্থী ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। ঘটনার পর রাতে তারা মাশফিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এতে বাধা দিলে মাদ্রাসায় ছুরি দিয়ে তার গলা কাটা হয়।

পিবিআই চট্টগ্রামের জেলা পরিদর্শক মো. নেজাম উদ্দিন প্রথম আলো</em>কে বলেন, গ্রেফতারকৃত দুই শিক্ষার্থী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং মাদ্রাসার আরও দুই শিক্ষার্থী সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন। তাদের চিত্রায়ন পুরো ঘটনার একটি ছবি দিয়েছে।

এদিকে নিহত মাশফির বাদী ও চাচা মাসুদ খান প্রথম আলো</em>কে বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামিদের শাস্তি চাই। ‘

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

খাবার ছিনতাই ও ধর্ষণের অভিযোগে বাধা দেওয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রীকে হত্যা: পিবিআই

আপডেট সময় ০২:৫৯:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুন ২০২২

খাবার ছিনতাই ও ধর্ষণের অভিযোগে বাধা দেওয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রীকে হত্যা: পিবিআই

৯ মার্চ চট্টগ্রামের আল্লামা শাহ সুফি আশিয়ার রহমান (ওরফে) মাদ্রাসার একটি ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে মাশফির লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশটি কম্বলে মোড়ানো ছিল। সে মাদ্রাসার কায়দা শাখার ছাত্র ছিল।

ওই রাতেই মাশফির চাচা মাসুদ খান বাদী হয়ে বোয়ালখালী থানায় মামলা করেন। ঘটনার পর মাদ্রাসার তিন শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরে তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়। মামলার রহস্য উদঘাটন করতে না পারায় এক মাস আগে আদালত পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান প্রথম আলো</em>কে বলেন, হত্যাকাণ্ডের কোনো সূত্র (উৎস) পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে মাদ্রাসার কেউ মুখ খোলেননি। পরে পিবিআই কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে রহস্য উদঘাটন করে। মাদ্রাসার দুই ছাত্র হত্যার কথা স্বীকার করেছে।

অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থীর বক্তব্যের বরাত দিয়ে পিবিআই কর্মকর্তা বলেন, নিহত মাশফি নিয়মিত বাসা থেকে খাবার আনতেন। দুই আসামি প্রায়ই তার কাছ থেকে খাবার ছিনিয়ে নিত। এ নিয়ে মাশফি তার মামা ও বড় ভাইয়ের কাছে অভিযোগ করেন। এতে ওই দুই শিক্ষার্থী ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। ঘটনার পর রাতে তারা মাশফিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এতে বাধা দিলে মাদ্রাসায় ছুরি দিয়ে তার গলা কাটা হয়।

পিবিআই চট্টগ্রামের জেলা পরিদর্শক মো. নেজাম উদ্দিন প্রথম আলো</em>কে বলেন, গ্রেফতারকৃত দুই শিক্ষার্থী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং মাদ্রাসার আরও দুই শিক্ষার্থী সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন। তাদের চিত্রায়ন পুরো ঘটনার একটি ছবি দিয়েছে।

এদিকে নিহত মাশফির বাদী ও চাচা মাসুদ খান প্রথম আলো</em>কে বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামিদের শাস্তি চাই। ‘