১১:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪
করোনা

করোনার ভুয়া রিপোর্ট: ডাঃ সাবরিনাসহ আটজনের ১১ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:২৩:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই ২০২২
  • / ৪৪৭ বার পড়া হয়েছে

করোনার ভুয়া রিপোর্ট: ডাঃ সাবরিনাসহ আটজনের ১১ বছরের কারাদণ্ড

করোনাভাইরাস শনাক্তকরণে প্রতারণার মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডাঃ সাবরিনা আরিফ চৌধুরী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল হক চৌধুরীকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।এর আগে সোমবার উভয় পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষ হয়। মামলায় মোট ৪০ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৬ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।মামলার অন্য আসামিরা হলেন- হিমু, তানজিলা, বিপুল, শফিকুল ইসলাম রোমিও ও জেবুন্নেসা,আবু সাঈদ চৌধুরী।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৫ আগস্ট ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ড. সাবরিনা ও আরিফসহ আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী। অভিযোগপত্রে ড. ঘটনার মূল হোতা হিসেবে সাবরিনা ও আরিফকে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে নাম থাকা অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে হিমু, তানজিলা ও রোমিও দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

গত বছরের ২০ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম সারাফুজ্জামান আনসারীর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। গত বছরের আগস্টে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম জুলফিকার হায়াত মামলার চার্জশিট গ্রহণ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

করোনা

করোনার ভুয়া রিপোর্ট: ডাঃ সাবরিনাসহ আটজনের ১১ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৭:২৩:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই ২০২২

করোনাভাইরাস শনাক্তকরণে প্রতারণার মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডাঃ সাবরিনা আরিফ চৌধুরী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল হক চৌধুরীকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।এর আগে সোমবার উভয় পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষ হয়। মামলায় মোট ৪০ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৬ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।মামলার অন্য আসামিরা হলেন- হিমু, তানজিলা, বিপুল, শফিকুল ইসলাম রোমিও ও জেবুন্নেসা,আবু সাঈদ চৌধুরী।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৫ আগস্ট ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ড. সাবরিনা ও আরিফসহ আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী। অভিযোগপত্রে ড. ঘটনার মূল হোতা হিসেবে সাবরিনা ও আরিফকে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে নাম থাকা অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে হিমু, তানজিলা ও রোমিও দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

গত বছরের ২০ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম সারাফুজ্জামান আনসারীর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। গত বছরের আগস্টে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম জুলফিকার হায়াত মামলার চার্জশিট গ্রহণ করেন।