১২:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

ইরাকে বাংলাদেশি অপহরণ, টাকা না দিলে লাশ পাঠানোর হুমকি: পুলিশ

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:১৩:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন ২০২২
  • / ১১৪২ বার পড়া হয়েছে

bdopennews

ইরাকে বসবাসরত দুই বাংলাদেশিকে অপহরণের পর নির্যাতন করা হয়েছে। নির্যাতনের ভিডিও বাংলাদেশে স্বজনদের কাছে পাঠিয়ে সাত লাখ টাকা দাবি করা হয়। না হলে ওই দুইজনকে হত্যা করে লাশ পাঠানোর হুমকি দেওয়া হয়। অপহরণ চক্রের দুই সদস্যকে অবশেষে সোমবার গ্রেফতার করা হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার সিটিটিসি থেকে জারি করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)। ওই দুই প্রবাসী হলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের আপেল আলী ও গাইবান্ধার শের আলী। ১৪ জুন ইরাকের বাগদাদের আবু জাফর আল-মনসুর শহর থেকে তাদের অপহরণ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নির্যাতনের ভিডিও পাওয়ার পর দুই প্রবাসীর পরিবার দুই লাখ টাকায় চক্রটি গড়ে তোলে। এরপরও দুজনের ওপর নির্যাতন বেড়ে যায়। আরও পাঁচ লাখ টাকা দাবি করা হয়। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে। পরে বিকাশ নম্বরের ভিত্তিতে মতিঝিল থেকে ইমরান হোসেন (২৮) ও নারায়ণগঞ্জের জালকুড়ি বাজার এলাকা থেকে আলমগীর হোসেন (৩০) নামের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ইমরানের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে সিটিটিসি জানায়, অপহরণ চক্রের মূল হোতা শফিকুল। তিনি ইরাকে আছেন। সেখান থেকে মুক্তিপণের টাকা আদায়ের জন্য বিকাশ বা ক্যাশ নম্বর দিতেন। শফিকুলের নির্দেশে বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দেওয়া হয়।

সিটিটিসি বলছে, অপহরণের চক্রটি বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ইরাকের নাগরিকদের নিয়ে গঠিত। তারা দীর্ঘদিন ধরে এ অপরাধে জড়িত। নির্যাতনের ভিডিও পাঠানোর পর মুক্তিপণের টাকা না পেলে হত্যা করতেও দ্বিধা করে না দলটি।

এদিকে গ্রেফতারের সময় ইমরানের কাছ থেকে বিভিন্ন ব্যাংকে প্রায় সাত লাখ টাকা জমার রশিদ ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। আলমগীরের কাছে দুটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় মামলা হয়েছে। তবে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইরাকে প্রবাসী দুই নাগরিকের অবস্থা জানা যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ইরাকে বাংলাদেশি অপহরণ, টাকা না দিলে লাশ পাঠানোর হুমকি: পুলিশ

আপডেট সময় ০৭:১৩:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন ২০২২

ইরাকে বসবাসরত দুই বাংলাদেশিকে অপহরণের পর নির্যাতন করা হয়েছে। নির্যাতনের ভিডিও বাংলাদেশে স্বজনদের কাছে পাঠিয়ে সাত লাখ টাকা দাবি করা হয়। না হলে ওই দুইজনকে হত্যা করে লাশ পাঠানোর হুমকি দেওয়া হয়। অপহরণ চক্রের দুই সদস্যকে অবশেষে সোমবার গ্রেফতার করা হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার সিটিটিসি থেকে জারি করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)। ওই দুই প্রবাসী হলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের আপেল আলী ও গাইবান্ধার শের আলী। ১৪ জুন ইরাকের বাগদাদের আবু জাফর আল-মনসুর শহর থেকে তাদের অপহরণ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নির্যাতনের ভিডিও পাওয়ার পর দুই প্রবাসীর পরিবার দুই লাখ টাকায় চক্রটি গড়ে তোলে। এরপরও দুজনের ওপর নির্যাতন বেড়ে যায়। আরও পাঁচ লাখ টাকা দাবি করা হয়। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে। পরে বিকাশ নম্বরের ভিত্তিতে মতিঝিল থেকে ইমরান হোসেন (২৮) ও নারায়ণগঞ্জের জালকুড়ি বাজার এলাকা থেকে আলমগীর হোসেন (৩০) নামের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ইমরানের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে সিটিটিসি জানায়, অপহরণ চক্রের মূল হোতা শফিকুল। তিনি ইরাকে আছেন। সেখান থেকে মুক্তিপণের টাকা আদায়ের জন্য বিকাশ বা ক্যাশ নম্বর দিতেন। শফিকুলের নির্দেশে বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দেওয়া হয়।

সিটিটিসি বলছে, অপহরণের চক্রটি বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ইরাকের নাগরিকদের নিয়ে গঠিত। তারা দীর্ঘদিন ধরে এ অপরাধে জড়িত। নির্যাতনের ভিডিও পাঠানোর পর মুক্তিপণের টাকা না পেলে হত্যা করতেও দ্বিধা করে না দলটি।

এদিকে গ্রেফতারের সময় ইমরানের কাছ থেকে বিভিন্ন ব্যাংকে প্রায় সাত লাখ টাকা জমার রশিদ ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। আলমগীরের কাছে দুটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় মামলা হয়েছে। তবে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইরাকে প্রবাসী দুই নাগরিকের অবস্থা জানা যায়নি।