১০:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪

ইউনিয়ন ব্যাংকে সমস্যা আছে, আমরা দেখছি: গভর্নর

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৫৭:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২
  • / ২৬৪ বার পড়া হয়েছে

bdopennews

ইউনিয়ন ব্যাংকের সমস্যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। “সব ব্যাংক এক নয়,” তিনি বলেন। যেখানেই সমস্যা আছে, দেখব, সমাধান পাব, ২০২২-২৩ অর্থবছরের মুদ্রানীতি ঘোষণা অনুষ্ঠানে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ‘আজকের বিডি ওপেন নিউজ রিপোর্টে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে ৯৫% চতুর্থ প্রজন্মের ইউনিয়ন ব্যাংক ডিফল্ট হওয়ার যোগ্য। এতেই বোঝা যায় ব্যাংকিং খাতের অবস্থা। কীভাবে একটি নতুন ব্যাংক এলো? আরও অনেক ব্যাংকের এই সমস্যা রয়েছে। আমরা ব্যাংকগুলোর মুনাফা দেখছি কিন্তু প্রকৃত অবস্থা দেখছি না। আপনি ছয় বছর তিন মাসের জন্য গভর্নর পদ থেকে সরে যাচ্ছেন। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো ব্যর্থতা আছে কি? ‘

জবাবে গভর্নর ফজলে কবির বলেন, “ইউনিয়ন ব্যাংকে সমস্যা আছে। আজকে একটি পত্রিকায় খবর এসেছে। এটা আমাদের নিয়মিত তত্ত্বাবধানে। আর ব্যাংকগুলো সব এক নয়। একটি ব্যাংকের ভালো-মন্দ সব ধরনেরই থাকে। খারাপ ব্যাংক। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো আলাদা, বেসরকারি ব্যাংকগুলো আলাদা, বিদেশী ব্যাংকগুলো আলাদা, শরীয়াহ ব্যাংকগুলো আলাদা। সবাই সমান নয়। এগুলো আমাদের ক্যামেলস রেটিংয়ে আসবে। যেখানেই সমস্যা আছে, আমরা দেখব, আমরা সমাধান বের করবে।’

গত ২৬ এপ্রিল ইউনিয়ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে এক চিঠিতে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ব্যাংকটির বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ ১৬ হাজার ৩৪৮ কোটি টাকা, যা ব্যাংকটির মোট ঋণের ৯৫ শতাংশ। অন্য কথায়, ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিতরণ করা বেশিরভাগ ঋণই খেলাপি বা অনিয়মিত ঋণে পরিণত হয়েছে। এসব ঋণ আদায়ের জন্য সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে, অন্যথায় খেলাপি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ইউনিয়ন ব্যাংকে সমস্যা আছে, আমরা দেখছি: গভর্নর

আপডেট সময় ০২:৫৭:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২

ইউনিয়ন ব্যাংকের সমস্যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। “সব ব্যাংক এক নয়,” তিনি বলেন। যেখানেই সমস্যা আছে, দেখব, সমাধান পাব, ২০২২-২৩ অর্থবছরের মুদ্রানীতি ঘোষণা অনুষ্ঠানে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ‘আজকের বিডি ওপেন নিউজ রিপোর্টে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে ৯৫% চতুর্থ প্রজন্মের ইউনিয়ন ব্যাংক ডিফল্ট হওয়ার যোগ্য। এতেই বোঝা যায় ব্যাংকিং খাতের অবস্থা। কীভাবে একটি নতুন ব্যাংক এলো? আরও অনেক ব্যাংকের এই সমস্যা রয়েছে। আমরা ব্যাংকগুলোর মুনাফা দেখছি কিন্তু প্রকৃত অবস্থা দেখছি না। আপনি ছয় বছর তিন মাসের জন্য গভর্নর পদ থেকে সরে যাচ্ছেন। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো ব্যর্থতা আছে কি? ‘

জবাবে গভর্নর ফজলে কবির বলেন, “ইউনিয়ন ব্যাংকে সমস্যা আছে। আজকে একটি পত্রিকায় খবর এসেছে। এটা আমাদের নিয়মিত তত্ত্বাবধানে। আর ব্যাংকগুলো সব এক নয়। একটি ব্যাংকের ভালো-মন্দ সব ধরনেরই থাকে। খারাপ ব্যাংক। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো আলাদা, বেসরকারি ব্যাংকগুলো আলাদা, বিদেশী ব্যাংকগুলো আলাদা, শরীয়াহ ব্যাংকগুলো আলাদা। সবাই সমান নয়। এগুলো আমাদের ক্যামেলস রেটিংয়ে আসবে। যেখানেই সমস্যা আছে, আমরা দেখব, আমরা সমাধান বের করবে।’

গত ২৬ এপ্রিল ইউনিয়ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে এক চিঠিতে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ব্যাংকটির বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ ১৬ হাজার ৩৪৮ কোটি টাকা, যা ব্যাংকটির মোট ঋণের ৯৫ শতাংশ। অন্য কথায়, ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিতরণ করা বেশিরভাগ ঋণই খেলাপি বা অনিয়মিত ঋণে পরিণত হয়েছে। এসব ঋণ আদায়ের জন্য সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে, অন্যথায় খেলাপি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।