০৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪

অপরিচিত বা স্বল্প পরিচিতদের সঙ্গে সেলিব্রেটিদের ছবি তোলায় সতর্ক থাকতে বলেছে ডিবি

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:৪৭:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই ২০২২
  • / ১১৮১ বার পড়া হয়েছে

bdopennews

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ছবি দেখে ব্যবসা না করার অনুরোধ জানিয়েছে। মঙ্গলবার ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ এ পরামর্শ দেন। এছাড়া অপরিচিত বা অপরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে ছবি তোলার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অনুরোধ করেন তিনি। আজ ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার ও বিশেষ অপরাধ বিভাগ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অতিরিক্ত ব্যক্তিগত কর্মকর্তার (এপিও) ছদ্মবেশের অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন হারুন অর রশিদ।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম। রাসেল মিয়া। তার কাছ থেকে দুটি ভুয়া মোবাইল ফোন, দুটি সিম, ১৬টি ভিজিটিং কার্ড (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এপিও আইডি ধারক) এবং একটি সিল (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এপিও আইডি ধারক) জব্দ করা হয়েছে।

হারুন অর রশিদ বলেন, রাজ বিন রাসেল তালুকদার নামে এক ব্যক্তি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ একাধিক মন্ত্রীসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ছবি ফেসবুকে ব্যবহার করেন। নিজেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এপিও পরিচয় দিয়ে একটি ভিজিটিং কার্ডও তৈরি করেন তিনি। এই পরিচয় দিয়ে তিনি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় চাকরি, বিভিন্ন রাজনৈতিক সমস্যা সমাধান, পুলিশে লোক নিয়োগ, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, বদলি, এলাকায় মামলা নিষ্পত্তিসহ বিভিন্ন কাজে তদবির করে প্রচুর অর্থ আত্মসাৎ করেন।

১৮ জুলাই তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী।

পুলিশ জানায়, রাসেল রংপুরের পীরগঞ্জের বাসিন্দা। তিনি মো. তালুকদার নামে ফেসবুকে একটি আইডি খোলেন রাজ বিন রাসেল। তার কাজ ছিল কৌশলে মন্ত্রী, এমপি ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে ছবি তুলে ফেসবুকে আপলোড করা। ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে নিয়মিত যাতায়াত করেন। ফলে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। তিনি নিয়মিত দলীয় কার্যালয়ে তোলা ছবি ফেসবুকে শেয়ার করতেন। এভাবে তিনি নিজেকে রংপুরে একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করেন। এ ছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এপিও পরিচয় দিয়ে একটি ভুয়া ভিজিটিং কার্ড তৈরি করে সবার মাঝে বিতরণ করেন।

ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, শুধুমাত্র ভিআইপিদের সঙ্গে ছবি থাকলে কারও সঙ্গে সম্পর্ক বা লেনদেন করা যাবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

অপরিচিত বা স্বল্প পরিচিতদের সঙ্গে সেলিব্রেটিদের ছবি তোলায় সতর্ক থাকতে বলেছে ডিবি

আপডেট সময় ০৩:৪৭:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই ২০২২

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ছবি দেখে ব্যবসা না করার অনুরোধ জানিয়েছে। মঙ্গলবার ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ এ পরামর্শ দেন। এছাড়া অপরিচিত বা অপরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে ছবি তোলার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অনুরোধ করেন তিনি। আজ ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার ও বিশেষ অপরাধ বিভাগ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অতিরিক্ত ব্যক্তিগত কর্মকর্তার (এপিও) ছদ্মবেশের অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন হারুন অর রশিদ।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম। রাসেল মিয়া। তার কাছ থেকে দুটি ভুয়া মোবাইল ফোন, দুটি সিম, ১৬টি ভিজিটিং কার্ড (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এপিও আইডি ধারক) এবং একটি সিল (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এপিও আইডি ধারক) জব্দ করা হয়েছে।

হারুন অর রশিদ বলেন, রাজ বিন রাসেল তালুকদার নামে এক ব্যক্তি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ একাধিক মন্ত্রীসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ছবি ফেসবুকে ব্যবহার করেন। নিজেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এপিও পরিচয় দিয়ে একটি ভিজিটিং কার্ডও তৈরি করেন তিনি। এই পরিচয় দিয়ে তিনি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় চাকরি, বিভিন্ন রাজনৈতিক সমস্যা সমাধান, পুলিশে লোক নিয়োগ, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, বদলি, এলাকায় মামলা নিষ্পত্তিসহ বিভিন্ন কাজে তদবির করে প্রচুর অর্থ আত্মসাৎ করেন।

১৮ জুলাই তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী।

পুলিশ জানায়, রাসেল রংপুরের পীরগঞ্জের বাসিন্দা। তিনি মো. তালুকদার নামে ফেসবুকে একটি আইডি খোলেন রাজ বিন রাসেল। তার কাজ ছিল কৌশলে মন্ত্রী, এমপি ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে ছবি তুলে ফেসবুকে আপলোড করা। ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে নিয়মিত যাতায়াত করেন। ফলে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। তিনি নিয়মিত দলীয় কার্যালয়ে তোলা ছবি ফেসবুকে শেয়ার করতেন। এভাবে তিনি নিজেকে রংপুরে একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করেন। এ ছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এপিও পরিচয় দিয়ে একটি ভুয়া ভিজিটিং কার্ড তৈরি করে সবার মাঝে বিতরণ করেন।

ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, শুধুমাত্র ভিআইপিদের সঙ্গে ছবি থাকলে কারও সঙ্গে সম্পর্ক বা লেনদেন করা যাবে না।